| শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি :রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) রাজধানীর জোন ৬/১, এর আওতাধীন বক্স কালভার্ট রোড, পুরানা পল্টন,এলাকায় ও রাজউক এর জোন-৩/৩,আওতাধীন রাজউক এর অধীনস্থ সুগন্ধা হাউজিং, আলমনগর, সাভার এলাকায় অবৈধ ও নকশাবহির্ভূত নির্মাণের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) রাজউক পরিচালিত পৃথক দুইটি মোবাইল কোর্টে জোন ৬/১ এ নির্মাণাধীন -অবৈধ ও নকশাবহির্ভূত ১৫টি স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়, আর্থিক জরিমানা ২লক্ষ টাকা করা হয় । জোন ৩/৩ এ ১২টি ভবনে অভিযান পরিচালিত হয় । অভিযানে ভবনের অবৈধ অংশ আংশিকভাবে অপসারণ করা হয় , ১৩টি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও মিটার জব্দ করা হয় ।
অভিযান চলাকালে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ ভবনই রাজউকের অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত তলা বা অংশ নির্মাণ করা হয়েছে। আবার কিছু ভবন মালিক রাজউকের আইন মেনে ভবন নির্মাণ করায় মোবাইল কোর্ট কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি । জোন ৬/১ এর আওতাধীন ৪টি নির্মাণাধীন ভবনের প্রতিটিতেই কোনো না কোনো ধরনের গুরুতর অনিয়ম পাওয়া যায়, যা নগর পরিকল্পনার মৌলিক নিয়মকে অগ্রাহ্য করার সামগ্রিক প্রবণতাকেই সামনে নিয়ে আসে। কসমিক টাওয়ার, রাজউকের নীতিমালা অমান্য করে গাড়ী পার্কিং জায়গায় দোকান নির্মাণ করে। মোবাইল কোর্ট ১২ তলা ভবনের বেইজমেন্টে এর জায়গায় নকশা বহির্ভুত দোকান অপসারণ করে ০৬ (ছয়) টি পার্কিং এর জায়গা খালি করা হয়।
ব্যতিক্রম ও দেখা গেছে বেজমেন্টসহ ১৬ (ষোল) তলা নির্মিত ভবন এর মালিকপক্ষ অভিযান চলাকালে মোবাইল কোর্টের কাছে রাজউক অনুমোদিত নকশা দাখিল করেন। মালিকপক্ষ নকশা অনুযায়ী ভবনের পার্কিং এর ব্যবহার সঠিক প্রতীয়মান হওয়ায় ভবনটির বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই মোবাইল কোর্ট ।
ভবন মালিক মনির হোসেন মনা। রাজউকের নীতিমালা ভঙ্গ করায় ০৯ তলা ভবনের নিচ তলায় পার্কিং এর স্থলে দোকান নির্মাণ করায় দুই লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ০৩ (তিন) টি পার্কিং অবমুক্ত করা হয়।
গাউসিয়া ডেভেলপার এর নির্মাণাধীন ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় দেখা যায় ভবনটির বেজমেন্টের কাজ চলমান রয়েছে। ভবনে বিচ্যুতি পরিলক্ষিত না হওয়ায় ভবনটির বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি মোবাইল কোর্ট। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে নির্মাণ কাজ চালানোর জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন ।
অভিযানে ৮৯ হোল্ডিং এর মোট ০৭ টি দোকানের মাঝে ০৩ টি দোকান অপসারণ করা হয় এবং বাকি ০৪ টি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নাভানা রিয়েল এস্টেটের ২ (দুই) বেজমেন্টসহ ১৫ (পনের) তলা নির্মাণাধীন ম্যাগনাস, এই ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় দেখা যায় ভবনটির ৫ তলার নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণাধীন ভবনটিতে রাজউকের নীতিমালার ব্যত্যয় না থাকায় কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি মোবাইল কোর্ট ।অভিযানে বিজয়নগর ১৫ নং হোল্ডিং এ
৩ তলা ভবনের নিচ তলায় পার্কিং এর স্থলে দোকান থাকায় ৩ টি দোকান সিলগালা করে বন্ধ করে দিয়ে ৪ (চার) টি পার্কিং অবমুক্ত করে দেয় মোবাইল কোর্ট ।
অপর মোবাইল কোর্টের অভিযান চলাকালে জোন ৩/৩ এর আওতাধীন নির্মাণাধীন ১২টি ভবনের মধ্যে প্রতিটিতেই কোনো না কোনো ধরনের গুরুতর অনিয়ম পাওয়া যায়, যা নগর পরিকল্পনার মৌলিক নিয়মকে অগ্রাহ্য করার সামগ্রিক প্রবণতাকেই প্রাধান্য দেওয়ার প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা গেছে।
ভবন মালিক সেলিম পরিদর্শনকালে মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ভবন মালিক সেলিম ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম করেছেন। এই
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে ভবনটির বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়।
ভবন মালিক মোঃ সিদ্দিক হোসেন, পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম করেছেন। অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের দুইটি বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করেন মোবাইল কোর্ট ।
ভবন মালিক এস এম শাহাদাত। পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম করেছিলেন ।
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন এবং ভবনের
বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করেন মোবাইল কোর্ট । ভবন মালিক জাকির হোসেন
পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম করছিলেন
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়। ভবন মালিক জহিরুল ইসলাম,
পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের
বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করেন মোবাইল কোর্ট । অভিযানের সময় সুগন্ধা হাউজিং এর ৫ নং রোডের ভবন মালিকের মালিকের নাম জানা সম্ভব হয়নি। অন্য মালিকদের মতো তিনি ও পরিদর্শনকালে মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন ।
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান সহ ভবনের একটি বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়।
ভবন মালিক আরেফিন সবুজ। পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম করছিলেন।
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ইমারতের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়।
ভবন মালিক এমডি আহসান হাবীব।পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন ।
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ইমারতের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়।
ভবন মালিক এমডি জুলফিকার আলী।পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম করেছেন । অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ইমারতের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়।ভবন মালিক সোহেল রানা।
পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন ।
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ইমারতের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়। ভবন মালিক মোস্তাফিজুর রহমান। পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল।
অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়। ভবন মালিক আবদুল আলিম। পরিদর্শনকালে ভবন মালিক মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত থাকায় রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত নকশা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম সেটব্যাক না রেখেই ভবন নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন । এই অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্মাণাধীন ইমারতের ব্যত্যয়কৃত অংশের ক্যান্টিলিভার অংশ ভেঙে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে রাজউক হতে নকশার অনুমোদন গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভবনের সকল প্রকার নির্মাণের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা সহ ভবনের বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করেন রাজউক পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ।
হেমায়েতপুর, সাভারের হেমায়েতপুরের আলমনগর সুগন্ধা হাউজিং এ অভিযানে উল্লেখযোগ্য বিষয় ১২টি ভবনের মালিকই মোবাইল কোর্ট স্থলে অনুপস্থিত ছিলেন প্রতিটি ভবনের নির্মাণে একই ভাবে রাজউকের নীতিমালা ভেঙ্গেছেন দেখে মনে হবে রাজউক নয়ই হাউজিং মালিকগণ একযোগে নিজেস্ব নীতিমালায় ভবন নির্মাণ করছিলেন। আবার রাজউক পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ১২টি ভবনের আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে একই নীতি গ্রহন করেছে ।
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, এই ধরনের নকশাবহির্ভূত নির্মাণ শুধু আইন লঙ্ঘনের বিষয় নয়, বরং অগ্নিনিরাপত্তা, ভূমিকম্প সহনশীলতা এবং নাগরিক সেবার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
অভিযান শেষে রাজউক কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীতে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। যারা অনুমোদন ছাড়া বা নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করবেন, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলেই হবে না; বরং নিয়মিত মনিটরিং, ডিজিটাল নজরদারি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই অনিয়ম বন্ধ করা কঠিন হবে। তবে রাজধানীতে চলমান অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে রাজউকের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন।
জোন ৬/১ এর মোবাইল কোর্টটি পরিচালিত হয় রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা রহমান ও জোন ৬/১ এর অথরাইজড অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর যৌথ তত্ত্বাবধানে সহকারী অথরাইজড অফিসার তন্ময় দেবনাথ, মোঃ মেহেদী হাসান, প্রধান ইমারত পরিদর্শক মোঃ সেলিম বকাউল, ইমারত পরিদর্শক মোঃ ফজলুল হক ও অন্যান্য কর্মকর্তাগন ।
অপর জোন ৩/৩ এর মোবাইল কোর্টটি পরিচালিত হয় রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ পারভীন বীথি ও জোন ৩/২ এর অথরাইজড অফিসার মাসুক আহমেদ ( অতিরিক্ত দায়িত্ব ও জোন-৩/৩), সহকারী অথরাইজড অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন,মোঃ নুরুল হুদা, প্রধান ইমারত পরিদর্শক আব্দুর রহিম, ইমারত পরিদর্শকবাকের মোঃ আবু রাশেদ,আব্দুল্লাহ আল মামুন,হেলাল সরকার ও অন্যান্য কর্মকর্তাগন ।
এসময় রাজউকের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ও পল্লী বিদ্যুতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
Posted ১২:১৮ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
https://thedaynewsbd.com | admin